Tuesday, March 7, 2017

লিনাক্স

লিনাক্স

উড়তে মানা ছিলো তার
শীত আর গ্রীষ্মের কাছে এতটাই উদাসীন উদ্বায়ী দ্রাঘিমা
মেরুর কাছে ষড়ঋতুর এক জিগজ্যাগ লাইন চার্ট
আবহাওয়ার মোরগের ডাক নেই সেই সব রাজসভায়
পাখিটির নাম পেঙ্গুইন
পাখিটির গলায় গান নিয়ে এই সমস্ত কল
দরজা কব্জায় সরঞ্জামে চব্বিশ বাই সাত
ক্রমাগত চঞ্চু কেটে রক্তের দাগ এই সুরে
যার কোন বাইট কোড নেই

এই সাদা, ধবল সাদা
সাদা কালোয় যে সব বি এম পি, ক্লিপ আর্ট
তাদের এই চুপ হয়ে দেখা বলয় , কোন সি গাল কিনা
হায় চিল, অসংখ্য দুডানার চিল
এই অববাহিকায় শূন্য করে চলে যাওয়া এক পরদেশী পর্যটক  
শুধু আকাশ যখন ময়ূর মেখে নীল নীল আন্তরিক
উড়তে মানা ছিলো তার
আকাশের গন্ধ ছিলো তার ডানা জুড়ে শীতার্ত জমাট
এক চন্দ্রভূক অমাবস্যায় এই কথা বলেছিলো কোন এক নাবিক
আকাশে তখন খসে যাচ্ছে একটার পর একটা ধুমকেতুর ঝাঁটা
ঝাঁটা থেকে ঝরে যাচ্ছে রশ্মি সহ শলার পর শলাকা
ক্রমবর্ধমান খাদ্য আর খাদকের সমীকরনে
ডিম আছে
আর ডিম নাই
এই নিয়ে বৈদ্যুতিক সমুদ্র যখন ক্রমাগত উষ্ণ এবং শীতল
হতভম্ভ ক্যাপ্টেন ডুবিয়ে দিয়েছে মস্ত টাইটানিক
মনোপলি ভেঙ্গে মনোলিথিক এক দুরন্ত মেরুউদ্দানের সম্ভবনায়
বরফের উপরে নীলময় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে

এই সব আবিষ্কার হয়
সি গাল উড়ে যায় সমুদ্রের লোনা গন্ধ মেখে
এই মাত্র উল্টে ফেলা বরফের চাংড়া
প্রতিটা মেরুপ্রদেশের প্রতিটাগুহাদেশ ছুঁয়ে গেলো বৈজ্ঞানিকের নাম
গতিসূত্রের পাশাপাশি প্রতিটা অক্ষরেখায় পেঙ্গুইনদের নবজন্ম নিয়ে
উড়ান ভরিয়ে দিলো লিন্যাক্স